জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় – ইনফো-বাড়ি https://infobari.com তথ্যের সমাহার Fri, 09 Oct 2020 12:28:44 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=5.5.3 https://infobari.com/wp-content/uploads/2020/08/cropped-m-design-logo-09A5D82F03-seeklogo.com_-32x32.png জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় – ইনফো-বাড়ি https://infobari.com 32 32 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়: কলেজ ট্রান্সফার করার আবেদন ও নিয়ম কানুনসমূহ (ভিডিওসহ) | College Transfer Process in National University https://infobari.com/college-transfer-process-in-national-university/ https://infobari.com/college-transfer-process-in-national-university/#respond Wed, 30 Sep 2020 14:15:39 +0000 https://infobari.com/?p=658 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ ট্রান্সফার করার আবেদন ও নিয়ম কানুনসমূহ | College Transfer Process in National University

বিভিন্ন কারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের এক কলেজ থেকে অন্য কলেজে পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়। আর এই কলেজ পরিবর্তন করতে হলে আপনাকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের নিয়মানুসারে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই নিয়মাবলিঃ

কলেজ পরিবর্তনের শর্তাবলী:-

কোন শিক্ষার্থী ১ম বর্ষ উত্তীর্ণ হওয়ার পর (ক) সরকারি কলেজ হতে সরকারী ও বেসরকারী কলেজে, (খ) বেসরকারী শ্রেণীতে উন্নীত হলে ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করতে পারবে না। আবার শিক্ষার্থী একটি কলেজে ১ম বর্ষে ভর্তির আবেদন করেছিল কিন্তু রিলিজ স্লিপের মাধ্যমে অন্য কলেজে ভর্তি হয়েছে সে ক্ষেত্রে পূর্বে আবেদনকৃত কলেজে বা সমমান কলেজে ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করতে পারবেনা।

চাকুরিতে অভিভাবক (পিতা/মাতা/স্বামী) অন্য জেলা শহরে বদলী হলে, পিতা/মাতা জীবিত না থাকলে/অসমর্থ হলে আইনগত ভাবে কাউকে অভিভাবকত্ব প্রদান করলে সে অভিভাবক হিসেবে বিবেচিত হবে। সেক্ষেত্রে আইনানুক অভিভাবকের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। শুধুমাত্র সরকারী, স্বায়ত্বশাসিত ও আধা-সরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অভিভাবকের বদলী জনিত কারনে ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করতে পারবে। চাকুরীরত অভিভাবকের সম্মতিপত্র আবেদনের সাথে সংযুক্তি করতে হবে।

আরো পড়ুন: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সেবা এখন অনলাইনে

মেয়ে শিক্ষার্থী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে (সম্মান শ্রেণিতে ভর্তির পর), সে ক্ষেত্রে বিবাহের কাবিননামা, (হিন্দু,খ্রিস্টান ও বৌদ্ধদের ক্ষেত্রে ১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক/ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কাউন্সিলর কর্তৃক প্রত্যয়নপত্র, স্বামী-স্ত্রীর যৌথ ছবি ও বিয়ের দাওয়াতপত্র, স্বামী যে প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করেন তার প্রত্যয়নপত্র, যোগদানপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র/অন্য কর্মে নিয়োজিত তার প্রামান্যপত্র।

শিক্ষার্থী তার স্থায়ী ঠিকানার নিকটবর্তী কলেজে যৌক্তিক কারণে ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করতে পারবে। যদি তার নিজের জেলার কোন কলেজে তার পঠিত বিষয়টি অধিভুক্তি না থাকে তাহলে পার্শ্ববর্তী জেলার নিকটবর্তী কলেজে ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করতে পারবে। সে ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর নিজের/পিতা/মাতা এর জাতীয় পরিচয়পত্র ও অভিভাবকের মতামত পত্র জমা দিতে হবে। কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বিবেচনার যোগ্য মনে করলে TC দিবেন।

অভিভাবকের মৃত্যু জনিত কারণে ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করতে পারবে, যদি অভিভাবক সদ্য মৃত্যুবরন করেন সেক্ষেত্রে ডাক্তার কর্তৃক ডেথ সার্টিফিকেট এর কপি অথবা চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে। প্রকৃত অভিভাবকের মৃত্যু জনিত কারণে অভিভাবকত্বের দায়িত্ব যার উপর অর্পিত হয়েছে তার সম্মতিপত্র এবং তার পেশা ও কর্মস্থল সংক্রান্ত প্রামান্য কাগজপত্র এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে।

একই জেলা/বিভাগীয় শহরে অবস্থিত দুটি কলেজের মধ্যে ছাড়পত্রের অনুমোদন দেয়া যাবে না। তবে বিশেষ কারনবশত মেয়ে শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে উক্ত শর্ত শিথিল যোগ্য।

  • একজন শিক্ষার্থী একাধিক বার ছাড়পত্র নিতে পারবে না।
  • ছাড়পত্র প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কেবলমাত্র চলতি বছরের ছয় (0৬) মাসের বেতন (ফি ব্যাতীত) ছাড়া আর কোন অর্থ আদায় না করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

আবেদনের সাথে যা যা জমা দিতে হবে:-

আবেদনের সাথে রেজিস্ট্রেশন কার্ড, প্রবেশপত্র ও পরীক্ষার ফলাফল কপি জমা দিতে হবে।

সংশ্লিষ্ট কলেজের শিক্ষাকার্যক্রম/ বিষয়ের অধিভুক্তি স্থগিত হলে এক্ষেত্রে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ পরিদর্শন শাখা কর্তৃক প্রদত্ব অধিভুক্তি বাতিলের পত্র সংযুক্ত করতে হবে।

শিক্ষার্থী প্রতিবন্ধি হলেএক্ষেত্রে প্রতিবন্ধি বিষয়ে সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের সনদপত্র জমা দিতে হবে।

এছাড়াও উপরে উল্লেখিত কোন শর্তের সাথে যদি আপনার মিলে যাই তাহলে সেটা প্রমাণের জন্য যে কাগজপত্র দিতে বলা হয়েছে সেগুলো আবেদনের সাথে যুক্ত করতে হবে।

বিঃ দ্রঃ আবেদন করার সময় Reason এর স্থানে ছাড়পত্রের কারন স্পষ্ট করে অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।

অনলাইনে আবেদন করবেন যেভাবে:-

একজন শিক্ষার্থী ফলাফল প্রকাশের দিন থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে অনলাইনে ছাড়পত্রের জন্য প্রাথমিক আবেদন করতে পারবে। আবেদনের সাথে প্রার্থীর মোবাইল নম্বর সংযুক্ত করতে হবে। আবেদন করতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (nu.edu.bd) এর Services মেনু তে গিয়ে Student Login এ গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন এর পদ্ধতি জানতে এই পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন।

রেজিস্ট্রেশন করা হয়ে গেলে ওই লিঙ্কে লগইন করতে হবে। লগইন করার পর বামদিকে Academic Services এ ক্লিক করলে Academic Services For Student এর তালিকা পাবেন। এই তালিকায় Transfer College(TC) তে ক্লিক করলে ছাড়পত্রের আবেদন ফরম পাবেন। সেখান থেকে  Target College Name এর ঘরে আপনি যেই কলেজে ট্রান্সফার হতে চাচ্ছেন তার নাম সিলেক্ট করবেন

তারপর  File Attachment এর ঘরে ধাপে ধাপে আপনার সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এড করবেন। তারপর Reason এর ঘরে সুন্দর করে আপনার কলেজ পরিবর্তনের কারণটা লিখে দিবেন। তারপর Proceed বাটনে ক্লিক করুন।

তারপর আপনার ড্যাশবোর্ডে গেলে আপনার আবেদনের পামে পেমেন্ট স্লিপ ডাউনলোডের অপশন পাবেন সেখান থেকে ক্লিক করে পেমেন্ট স্লিপটা ডাউনলোড করে সোনালী ব্যাংকের যে কোন শাখায় টাকাটা জমা দিয়া দিরেই আপনার কাজ শেষ। তারপর আপনার ট্রান্সফারকৃত চাহিত করেজে যোগাযোগ করে বাকি কাজ সম্পন্ন করবেন।

এখনো না বুজে থাকলে নিচের ভিডিওটি দেখুন

সরাসরি আবেদন করে দেখানো হয়েছে

প্রার্থীর প্রাথমিক আবেদন যাচাই বাছাই করে এক সপ্তাহের মধ্যেই SMS এর মাধ্যমে তার আবেদন বিবেচনা যোগ্য কিনা তা জানিয়ে দেওয়া হবে। আবেদন গ্রহণযোগ্য হলে প্রার্থীকে ছাড়পত্রের ফিসহ নির্ধারিত ফরমে বিশ্ববিদ্যালয়ে চূড়ান্ত আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। চূড়ান্ত আবেদনের সাথে শুধুমাত্র ছাড়পত্র প্রদানকারী কলেজের অনাপত্তিপত্র জমা দিতে হবে। উল্লেখ্য যে, শিক্ষার গুনগত মানোন্নয়নের প্রতি লক্ষ রেখে ছাড়পত্র অনুমোদনের ক্ষেত্রে প্রার্থী যে কলেজে ভর্তি হতে ইচ্ছুক সে কলেজের প্রার্থীত বিষয়ের শিক্ষার্থী – শিক্ষক সংখ্যানুপাত Optimum সংখ্যার অনেক বেশী হলে প্রার্থীর আবেদন বিবেচনা করা হবে না।

কোর্স ফাইনাল পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হলে ছাড়পত্র ইস্যু করা যাবে না। তাছাড়া স্নাতক (সম্মান ) শ্রেণীতে ৩য় ও ৪র্থ বর্ষে বিশেষ কারণ ছাড়া ছাড়পত্র প্রদান করা যাবে না।

প্রামাণ্য তথ্যে কোন জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া গেলে শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল বলে গন্য হবে।

ইউটিউবে আমাদের সাথে সংযুক্ত হতে আমাদের চ্যানেলটি এখনি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

College Transfer Process in National University

]]>
https://infobari.com/college-transfer-process-in-national-university/feed/ 0
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বাতিল প্রক্রিয়া | NU Admission Cancel System https://infobari.com/nu-admission-cancel-system/ https://infobari.com/nu-admission-cancel-system/#respond Tue, 08 Sep 2020 14:32:06 +0000 https://infobari.com/?p=562 ঘরে বসে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বাতিল করবেন যেভাবে | NU Admission Cancel System A to Z

আমরা সবাই জানি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে একসাথে যে কোন দুইটি কোর্সে পড়ালেখা করতে পারে না। কেউ যদি ভুল করেও দ্বৈত ভর্তি (ডবল ভর্তি) হয়ে থাকে তাহলে তাকে পূর্বের ভর্তি বাতিল করতে হয়। বিশেষ করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষে ভর্তির সময় অনেকেরই ভর্তি বাতিলের প্রয়োজন হয়ে থাকে। আগে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বাতিলের জন্য সরাসরি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসে (গাজীপুর) গিয়ে আবেদন করা লাগত। কিন্তু এখন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সার্ভিস অনলাইনে করার ফলে আপনি চাইলেই ঘরে বসে আপনার যে কোন ভর্তি বাতিল করতে পারবেন। এর জন্য কোথাও যেতে হবে না। আজকের পোস্টে দেখানো সিস্টেমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স, ডিগ্রি, মাস্টার্স সহ অন্যান্য সকল কোসের্র ভর্তি বাতিল করতে পারবেন।

কিভাবে ভর্তি বাতিল করবেন?

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বাতিলের জন্য প্রথমে আপনাকে তাদের ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করে আবেদন করতে হবে তারপর একটা পে-স্লিপ দেওয়া হবে সেটা প্রিন্ট করে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে নির্ধারিত ফি জমা দিতে হবে। তারপর কিছুদিনের ভিতরেই আপনার ভর্তি বাতিল হয়ে যাবে।

ভর্তি বাতিল করতে যা যা লাগবে:-

  • কলেজ ফরওয়ারডিং লেটার
  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রেশন কার্ড।
  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের  ভর্তির ফরম

উল্লেখ্য, যাদের রেজিস্ট্রেশন হয় নাই তারা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময় যে ভর্তি ফরম পেয়েছিলেন সেটা দিবেন আর যাদের রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেছে তারা রেজিস্ট্রেশন কার্ড দিবেন।

আরো পড়ুনঃ- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সেবা এখন অনলাইনে

অনলাইনে আবেদন:-
যাই হোক সবার আগে স্টুডেণ্ট একাউন্ট খুলবেন! স্টুডেণ্ট একাউন্ট যেভাবে খুলবেন তা নিচে দেয়া হলোঃ
১. প্রথমে http://www.nu.edu.bd/ এই ওয়েবসাইট এ যান এবং ন্যাভিগেশন মেনুর সবার ডানে Services মেনু থেকে Student Login এ ক্লিক করুন।
২. সেখানে গেলে লগইন পেজ ওপেন হবে। এর ঠিক নিচে Student Registration অপসন আছে। ঐখান এ ক্লিক করুন।


৩. এখন রেজিস্ট্রেশন ফর্ম ওপেন হবে। আপনি সঠিক ভাবে আপনার কোর্স এর নাম, সেশন এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর গুলো দিবেন। যাদের রেজিস্ট্রেশন হয় নাই মানে নতুন ভর্তি হয়েছেন তারা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করার পর যে রোলটা পেয়েছিলেন সে রোলটা দিয়া ভর্তি বাতিলের Student Registration করবেন।
৪. এর পর কনফার্মেশন পেজ আসবে। সেখানে আপনি তথ্যগুলো ঠিক আছে কিনা দেখবেন। যদি ভুল হয় Try Again এ ক্লিক করবেন। আর ঠিক থাকলে সব Proceed এ ক্লিক করুন।

৫. এর পর আপনার বিস্তারিত তথ্য গুলো দিন। উল্লেক্ষ্য আপনার রেজিস্ট্রেশন নম্বর এ হলো আপনার ইউজার নেম। আপনি এই পেজ এ আপনার মোবাইল নম্বর , পাসওয়ার্ড, ইমেইল নেম ইত্যাদি তথ্য প্রদান করবেন। এবং Save বাটন এ ক্লিক করে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শেষ করবেন। এর পর Student Login এ আপনি আপনার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও পাসওয়ার্ড প্রদান করে একাউন্ট এ প্রবেশ করবেন।

Student একাউন্ট খোলার পরের কাজ :-

১। আপনার ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে নিজের একাউন্টে লগ ইন করবেন তারপর আপনার সকল তথ্য দেখাবে কিছু তথ্য এড করতে বরা হবে। আপনার HSC এবং SSC পরীক্ষার রোল, বোর্ড, পাশের সন, জিপিএ ফিলাপ করে Update Profile এ ক্লিক করুন। তারপর দেখেন পেইজের বাম দিকে Academic Services নামে অপশন আছে এবং সেটায় ক্লিক করেন আর দেখবেন একই নামে আরেকটি সাব সেকশন ওপেন হবে!
২। এখন Academic Services সাবসেকশনে ক্লিক করার পর নিউ পেজ আসবে। সেখানে দেখবেন সবার উপরে Admission Cancel(AC) এর লিংক আছে, পাশে খরচও লেখা আছে। সেটায় ক্লিক করবেন।
৩। Admission Cancel(AC) এর আবেদন পেইজ চলে আসবে ক্লিক করার পর(! সেখানে File Attachment এর ঘরে প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র এড করবেন।

আরো জানুন:- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি উপবৃত্তির জন্য আবেদন করবেন যেভাবে

যা যা এড করতে হবে :  

১।কলেজ ফরওয়ার্ডিং লেটার (কলেজে একটা এপ্লিক্যাশন দিবেন ভর্তি বাতিলের আবেদন করে। সেই আবেদনপত্র যে গ্রান্টেড হয়েছে সেইটার স্ক্যান কপি)

২। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের  রেজিস্ট্রেশন কার্ডের কপি।

৩। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির ফরমের স্ক্যান কপি (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময় যে ভর্তি ফরম পেয়েছিলেন সেটা)

বি:দ্র:- যাদের রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেছে তাদের অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন কার্ডের স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে আর যাদের এখনো রেজিস্ট্রেশন হয় নাই তারা শুধূমাত্র জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির ফরমের স্ক্যান কপি দিয়ে ভর্তি বাতিলের আবেদন করতে পারবে।

৪। Reason ঘরে কেনো এডমিশন ক্যান্সেল করতে চান তার কারণ দর্শাবেন! তারপর প্রসিড বাটনে ক্লিক করে করবেন।

৫। ক্লিক করার সাথে সাথে আপনাকে আপনার আবেদন হয়ে গেছে এমন একটা ম্যাসেজ দেখাবে এবং আপনাকে পুনরায় ড্যাশবোর্ডে নিয়ে আসবে।

৬। ড্যাশবোর্ডে আপনার আবেদনের ডিটেইলস দেখতে পারবেন। আবেদনের ডিটেইলস এর করামের ডান পাশের Action নামক অপশনের নিচে দেখবেন পে-স্লিপ লেখা আছে সেটাতে ক্লিক করে আপনার আবেদনের ফি জমার ম্লিপটা ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে সোনারী ব্যাংকের যে কোন শাখায় নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে দিবেন। ব্যাস আপনার কাজ শেষ এবার শুধু অপেক্ষা করবেন কয়েকদিন।

আবেদন কমপ্লিট করার পরের কাজ:-

ভর্তি বাতিলের জন্য অনলাইনে আবেদন ও ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার পর আর কোন কাজ নাই শুধু ২/৩ ‍দিন পর থেকে অনলাইনে  আবার আগের মত আপনার একাউন্টে লগ ইন করে দেখবেন যে আবেদনের Status পরিবর্তন হয়েছে কিনা। ভর্তি বাতিল হয়ে গেলে Approve লেখা থাকবে । তারপরর Approve এ ক্লিক করে পেপারটা ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে আপনার করেজে গিয়া জমা দিয়া আপনার সব কাগজপত্র তুলতে পারবেন।

ভর্তি বাতিলের খরচ:-

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বাতিলের মূল ফি হচ্ছে ৭০০ টাকা যেটা সোনালী ব্যায়কে জমা দিতে হয়। আর বাকি যে খরচটা এটা বেসরকারি কলেজে একেক কলেজে একেক রকম হতে পারে কারণ তাদের বেতন আরো অন্যান্য ফি বাবদ টাকা রাখতে পারে। আর সরকারি কলেজে কোন টাকা লাগবে না।

ইউটিউবে আমাদের সাথে সংযুক্ত হতে আমাদের চ্যানেলটি এখনি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

NU Admission Cancel System




]]>
https://infobari.com/nu-admission-cancel-system/feed/ 0
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সেবা এখন অনলাইনে | National University all Service in Online https://infobari.com/national-university-all-service-in-online/ https://infobari.com/national-university-all-service-in-online/#comments Sat, 22 Aug 2020 16:38:57 +0000 https://infobari.com/?p=407 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সেবা ঘরে বসে অনলাইনে নিবেন যেভাবে National University all Service in Online

করোনার থাবায় থমকে আছে পুরো বিশ্ব  তারই সাথে সাথে বাংলাদেশেও একই চিত্র। করোনার কারনে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বিভিন্ন শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যাই। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সবার সুবিধার জন্য যাতে ঘরে বসে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সেবা নিতে পারে সে ব্যাবস্থা করেছেন। এই  বিষয়ে জাতীয় বিশ্বদ্যালয়ের ওবেসাইটে একটি বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে এখন থেকে জাতীয় বিশ্বদ্যালয়ের সকল কাজ অনলাইনে করা যাবে। কোন কাজের জন্য জাতীয় বিশ্বদ্যালয়ে/কলেজে যেতে হবে না।

অনলাইনে যে সকল সেবা পাওয়া যাবে:

১। সাময়িক সনদপত্র উত্তোলন।

২। বিভিন্ন পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড।

৩। বিভিন্ন পরীক্ষার একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট।

৪। দ্বি-নকল সার্টিফিকেট উত্তোলন।

৫। সার্টিফিকেট সংশোধনের আবেদন।

৬। যে কোন কোর্সের ভর্তি বাতিলের আবেদন।

এছাড়াও আরো বহুধরনের সেবা পাওয়া যাবে।

ছাত্র/ছাত্রীদের পাশাপাশি জাতীয় বিশ্বদ্যালয়ের আওতাভুক্ত সকল কলেজগুলাও তাদের বিভিন্ন কার্যক্রম যা আগে জাতীয় বিশ্বদ্যালয়ে গিয়ে করা লাগত তা এখন থেকে অনলাইনে করতে পারবে।

এই ব্যাবস্থা চালু হওয়াতে একদিকে যেমন করোনা থেকে রক্ষার ঝুকি কমেছে অন্যদিকে সবাই খুব সহজে সেবাগুলা ঘরে বসে পাবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বাতিল করবেন যেভাবে

বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় বিশ্বদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জনাব বদরুজ্জামান বলেছেন যে করোনার এই দুর্যোগময় সময়ে স্বাস্থ্য ঝুঁকির বিষয়টি মাথায় রেখে জাতীয় বিশ্বদ্যালয়ে না এসে সবাই যেন অন-লাইনে সেবা গ্রহণ করে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ছাত্র/ছাত্রীরা মোবাইল এ্যাপ এ ডুকে প্রয়োজনীয় সকল তথ্য দিয়ে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ও অনলাইন লিংকের মাধ্যমে সকল সেবা নিতে পারবে । এবং জাতীয় বিশ্বদ্যালয়ের আওতাভুক্ত সকল কলেজগুলা অনলাইনে নির্দিষ্ট লিংকে ডুকে সকল সেবা নিতে পারবে।

সকল ছাত্র/ছাত্রীরা নিচের লিংকে ক্লিক জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সেবা গ্রহণ করতে পারবে।

103.113.200.38/nu-app/

মোবাইল এ্যাপ ও অনলাইনের মাধ্যমে কিভাবে ঘরে বসে সকল সেবা নিবেন তার বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিওটি দেখুন।

সেবা গ্রহণকারীদের প্রতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনাঃ

চাহিদা মোতাবেক আবেদনে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট/তথ্যাদি প্রদান না করলে আবেদন অসম্পূর্ণ বলে বিবেচিত হবে তথা তাকে সেবা প্রদান করা যাবে না। আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ অর্থাৎ আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা Student Login-এ দেখা যাবে। সার্ভিস সম্পন্ন হলে Student Login এবং SMS এর মাধ্যমে জানানো হবে। সার্ভিস গ্রহণকালে মূল আবেদনপত্র (সংযুক্তিসহ), মূল প্রবেশপত্র, মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড, মূল নম্বরপত্র, মূল সাময়িক/মূল সনদপত্র, NID, পে-স্লিপের মূল কপি সঙ্গে আনতে হবে।

ধর্মান্তরিত হলে বোর্ড কর্তৃক নাম সংশোধনের পত্র এবং এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি পাশের সংশোধিত মূল সনদপত্র দেখাতে হবে। সার্ভিস সকাল ৯:০০টা থেকে বিকাল ৪:০০টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার থেকে সরবরাহ করা হবে। শিক্ষার্থী অন্য কারো মাধ্যমে ডকুমেন্ট সংগ্রহ করতে চাইলে অবশ্যই প্রাধীকারপত্র দিতে হবে। অধ্যক্ষের অগ্রায়ন ছাড়া কোন আবেদন গ্রহণ করা হবে না। আবেদন ফরম www.nu.ac.bd/download-form-instruction.php লিংকে প্রবেশ করলে পাওয়া যাবে।

বিঃ দ্রঃ একাডেমিক রেকর্ড রিকয়েস্ট ফরম পূরণ ও সিল্ড খাম সেবা নিতে আগ্রহীদেরকে আবেদন ও প্রয়োজনীয় সংযুক্তিসহ (১। লিখিত আবেদন পত্রসহ যে সকল সত্যায়নকৃত ডকুমেন্ট সংযুক্ত হবে। ২। একাডেমিক রেকর্ড রিকয়েস্ট ফরম। ৩। সনদপত্র/নম্বরপত্র/ট্রান্সক্রিপ্ট। ৪। প্রাপকের নাম ও ঠিকানা। ৫। ফি ৮০০/- প্রদানের সোনালী সেবা পে-স্লিপ একাডেমিক রেকর্ড রিকয়েস্ট ফরম প্রতিটির জন্য এবং ২০০/- প্রদানের সোনালী সেবা পে-স্লিপ সিল্ড খাম প্রতিটির জন্য।) বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টারে জমা দিয়ে সেবা নিতে বলা হলো।

আরো জানুন:– পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য অনলাইনে আবেদন করবেন যেভাবে

অনলাইনের মাধ্যমে সাময়িক সনদপত্র/নম্বরপত্র সেবা ছাড়াও আরও বেশ কিছু সেবা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়টির পরীক্ষা বিভাগের নিম্নলিখিত সেবাসমূহ অনলাইনে প্রদান করছে। আপনার সুবিধার্থে নিম্নে তাদের তালিকা প্রদান করা হল।

  1. সাময়িক সনদপত্র/নম্বরপত্র,
  2. মূল সনদপত্র,
  3. মূল সনদপত্র (দ্বি-নকল),
  4. ট্রান্সক্রিপ্ট (১ম বার),
  5. ট্রান্সক্রিপ্ট (২য় কপি),
  6. সাময়িক সনদপত্র/মূল সনদপত্র বাংলা থেকে ইংরেজী অনুবাদকরণ,
  7. নম্বরপত্র বাংলা থেকে ইংরেজী অনুবাদকরণ,
  8. প্রবেশপত্র/দ্বি-নকল প্রবেশপত্র বাংলা থেকে ইংরেজী অনুবাদকরণ,
  9. দ্বি-নকল (সনদপত্র/নম্বরপত্র/প্রবেশপত্র),
  10. প্রবেশপত্রে কোর্স সংশোধন,
  11. সত্যায়ন,
  12. এমফিল এর মূল সনদপত্র,
  13. পিএইচ.ডি এর মূল সনদপত্র,
  14. এমফিল/পিএইচ.ডি এর ট্রান্সক্রিপ্ট,
  15. প্রবেশপত্র, নম্বরপত্র ও সনদপত্রে নাম, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, শিক্ষাবর্ষ ও অন্যান্য সংশোধন,
  16. এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রেরিত একাডেমিক ডকুমেন্ট (সনদপত্র/নম্বরপত্র/ট্রান্সক্রিপ্ট) যাচাইয়ের আবেদন।

ইউটিউবে আমাদের সাথে সংযুক্ত হতে আমাদের চ্যানেলটি এখনি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

National University all Service in Online

]]>
https://infobari.com/national-university-all-service-in-online/feed/ 1
২০২০ সালের স্নাতক (পাস) ও সমমান শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান করা হবে । Prime Ministers Education Assistance Trust Stipend https://infobari.com/prime-ministers-education-assistance-trust-stipend/ https://infobari.com/prime-ministers-education-assistance-trust-stipend/#respond Fri, 21 Aug 2020 07:10:11 +0000 https://infobari.com/?p=373
দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে (Prime Ministers Education Assistance Trust Stipend) মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সানুগ্রহ অভিপ্রায় অনুযায়ী ২০১২ সালে “প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট” গঠন করা হয় । প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট আইন, ২০১২ এর বিধান অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ০৫ (পাঁচ) সদস্য বিশিষ্ট “উপদেষ্টা পরিষদ”-এর সভাপতি । বিদ্যমান আইনের আওতায় গঠিত ২৬ (ছাব্বিশ) সদস্যবিশিষ্ট ‘ট্রাস্টি বোর্ড’-এ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী সভাপতি ।

ট্রাস্ট ফান্ড থেকে স্কুল/কলেজ/মাদ্রাসা/বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি, আর্থিক সহায়তা, অনুদান ও উচ্চ শিক্ষায় ফেলোশিপ প্রদান করা হচ্ছে । এতে করে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা ডিগ্রী পর্যন্ত বিনা বেতনে শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে । শিক্ষার্থীদের হাতে স্বল্প সময়ে, ঝামেলাহীনভাবে উপবৃত্তির অর্থ পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ই-স্টাইপেন্ড সিস্টেম বাস্তবায়ন করছে । এই পদ্ধতির ফলে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সুবিধাজনক সময়ে, স্থানে এবং পছন্দমতো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে স্ব-স্ব ব্যাংক হিসাবে উপবৃত্তির অর্থ প্রদান নিশ্চিত করা হবে । শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি, ঝরে পড়া রোধ, শিক্ষার প্রসার, বাল্যবিবাহ রোধ, নারীর ক্ষমতায়ন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নসহ দারিদ্র্য বিমোচনে ট্রাস্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট থেকে উপবৃত্তি দেওয়ার বিস্তারিত তথ্য

★যারা যারা আবদেন করতে পারবে- ২০১৬-১৭, ২০১৭-১৮ এবং ২০১৮-১৯ (৩য় বর্ষ, ২য় বর্ষ এবং ১ম বর্ষ) শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়রত ২০২০ সালে স্নাতক (পাস) ও সমমান পর্যায়ে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান করা হবে। তাই উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের আওয়াতাভুক্ত সকল প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা আবেদন করতে পারবে।

  • ★আবেদন করতে যা যা লাগবে- উপবৃত্তির ফরম পূরণ করতে যা যা লাগবেঃ
  • ১. এক কপি ছবি
  • ২. NID কার্ড অথবা জন্ম নিবন্ধন
  • ৩. পিতা মাতার NID কার্ড
  • ৪. মোবাইল নাম্বার
  • ৬. ssc, hsc and Degree এর রোল রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার।
  • ৭. আরো অনেক ব্যাক্তিগত তথ্য।
  • অবশ্যই আপনারা সতর্কতার সাথে ফরম পুরণ করবেন। উপবৃত্তির আবেদন করার জন্য কেউ এতো উঠে পড়ে লাগবেন না। আবেদন করার জন্য যথেষ্ট সময় রয়েছে। পুরা ১ মাস আবেদন চলবে।

আরো জানুন:- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সেবা ঘরে বসে অনলাইনে নিবেন যেভাবে

★ উপবৃত্তির জন্য কখন আবেদন করবো? আপনার বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ নোটিশ দেওয়ার পর কলেজে যোগাযোগ করে কলেজের নির্দেশনা অনুযায়ী অনলাইনে আবেদন করবেন। ২০২০ সালের উপবৃত্তির আবেদনের সময়সীমা – 16/08/2020 থেকে 15/09/2020 পর্যন্ত

★আবেদন করার সময়সীমা:- শিক্ষার্থী কর্তৃক অনলাইনে আবেদনের সময় ঃ আগামী ১৬/০৮/২০২০ থেকে ১৫/০৯/২০২০ তারিখ পর্যন্ত। শিক্ষক কর্তৃক তালিকা প্রেরণের শেষ সময় ঃ ৩০/০৯/২০২০

★ উপবৃত্তির জন্য আবেদন করবো কিভাবে? কিভাবে আবেদন করতে হবে তা জানতে নিচের ভিডিওটি দেখুন।

সরাসরি আবেদন করে দেখানো হয়েছে

★ উপবৃত্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।

উপবৃত্তি প্রাপ্তির শর্তাবলি: 

  • প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী, এতিম, অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান, নদীভাঙ্গন কবলিত পরিবারের সন্তান এবং দুস্থ পরিবারের সন্তানগণ উপবৃত্তি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে।
  • তৃতীয় লিঙ্গধারী সকল শিক্ষার্থী উপবৃত্তি প্রাপ্য হবে এবং এদের তালিকা পৃথক ভাবে প্রেরণ করতে হবে।
  • উপবৃত্তি প্রাপ্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীর অভিভাবকের বার্ষিক আয় মোট ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকার কম হতে হবে।
  • অভিভাবক/পিতামাতার মোট জমির পরিমাণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বসবাসকারী ০.০৫ শতাংশ, পৌরসভা এলাকায় ০.২০ শতাংশ এবং অন্যান্য এলাকায় ০.৭৫ শতাংশের কম থাকতে হবে।
  • সংশ্লিষ্ট এলাকার সিটি কর্পোরেশন/ পৌরসভার মেয়র/ কাউন্সিলর/ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/ প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা/ সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান প্রদত্ত আয় ও জমির পরিমাণ সম্পর্কিত সনদপত্র যুক্ত করতে হবে।

prime ministers education assistance trust stipend

  • উপবৃত্তিপ্রাপ্তির জন্য শিক্ষার্থীকে স্নাতক (পাস)/সমমান (ফাজিল) পর্যায়ের নিয়মিত শিক্ষার্থী হতে হবে। ২য় বর্ষ এবং ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে স্নাতক (পাস)/ সমমান (ফাজিল) পর্যায়ের অভ্যন্তরীণ বা নির্বাচনী পরীক্ষায় নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসাবে উত্তীর্ণ হতে হবে।
  • স্নাতক (পাস)/সমমান (ফাজিল) পর্যায়ের প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়ার পর বিরতিহীনভাবে ২য় বর্ষ ও ৩য় বর্ষে অধ্যয়ন করতে হবে এবং স্নাতক(পাস)/সমমান পর্যায়ের পরীক্ষায় অংশ্রগ্রহণ করতে হবে। উল্লেখ্য যে, ১ম, ২য়, ৩য় বর্ষের যেকোনো বর্ষে পুনঃভর্তি হলে উক্ত শিক্ষার্থী অনিয়মিত হিসাবে বিবেচিত হবে এবং উপবৃত্তিপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিবেচিত হবে না।
  • নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে শ্রেণিকক্ষে (ক্লাস) কমপক্ষে ৭৫% উপস্থিতি থাকতে হবে। এক্ষেত্রে আবশ্যিক বিষয় হিসেবে (বাংলা/ইংরেজি) কাউন্ট করা যেতে পারে।
  • ছাত্র-ছাত্রীর ভর্তিকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হালনাগাদ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়/ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি এবং পাঠদানের অনুমতি থাকতে হবে।

ইউটিউবে আমাদের সাথে সংযুক্ত হতে আমাদের চ্যানেলটি এখনি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।

]]>
https://infobari.com/prime-ministers-education-assistance-trust-stipend/feed/ 0