১. লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রবেশপত্র এবং জাতীয় পরিচয় পত্র অবশ্যই সঙ্গে আনতে হবে। Primary Assistant Teacher Recruitment test
২. সকাল ৯:০০ টায় প্রার্থীকে নির্ধারিত আসন গ্রহণ করতে হবে এবং পরীক্ষা সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত কক্ষ ত্যাগ করতে পারবেন না। সকাল ৯:৩০ টায় পরীক্ষা কেন্দ্রের সকল প্রবেশপথ বন্ধ করে দেয়া হবে এবং পরীক্ষার হলে ওএমআর শীট বিতরণ করা হবে।
৩. পরীক্ষা শুরুর পর থেকে ওএমআর ফরম জমা না দেয়া পর্যন্ত কাউকে বাইরে যেতে দেয়া হবে না, তাই পরীক্ষার শুরু হওয়ার আগেই সকল প্রয়োজন মিটিয়ে আসতে হবে।
৪. কক্ষ পরিদর্শকের অনুমতি ব্যতীত নিজ আসন ছাড়া অন্য কোন আসনে বসা যাবে না ।
৫. প্রবেশপত্র ব্যতিরেকে কোন পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেয়া হবে না। পরীক্ষা কেন্দ্রে কোন বই, উত্তরপত্র, নোট বা অন্য কোন কাগজপত্র, ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন, ভ্যানিটিব্যাগ, পার্স, হাতঘড়ি বা ঘড়ি জাতীয় বস্তু, ইলেকট্রনিক্স হাত ঘড়ি বা যে কোন ধরনের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস, যোগাযোগ যন্ত্র বা এই জাতীয় বস্তু সঙ্গে নিয়ে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। যদি কোন পরীক্ষার্থী উল্লিখিত দ্রব্যাদি সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করে তবে তাকে তাৎক্ষণিক বহিষ্কারসহ তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৬. পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা কক্ষে অবস্থানকালে অবশ্যই উভয় কান উন্মুক্ত রাখতে হবে।
৭. আবেদনপত্রে পরীক্ষার্থীর প্রদত্ত ছবি হাজিরা শীটে থাকবে এবং ইনভিজিলেটর এই ছবি দিয়ে পরীক্ষার্থীকে যাচাই করবেন । ভুয়া পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
৮. আবেদনপত্রে প্রার্থীর দেয়া স্বাক্ষরের সাথে পরীক্ষার হাজিরা সীটে এবং ওএমআর শীটে প্রদত্ত স্বাক্ষরসহ সকল তথ্যে মিল থাকতে হবে।
৯. পরীক্ষার্থীকে উত্তরপত্রে অবশ্যই কালো বলপয়েন্ট কলম ব্যবহার করতে হবে।
১০. একজন পরীক্ষার্থীর জন্য ওএমআর ফরমের সেট কোড পূর্বনির্ধারিত থাকবে, পরীক্ষার্থীর জন্য নির্ধারিত ওএমআর ফরমের সেট কোডটি এ প্রবেশপত্রে উল্লেখ করা আছে।
১১. পরীক্ষার হলে যে ওএমআর ফরমটি দেওয়া হবে, সেখানে সেট কোডের ঘরে প্রবেশপত্রে উল্লিখিত কোডটির বিপরীতে বৃত্ত ভরাট করতে হবে।
১২. ওএমআর ফরম পাওয়ার পর ফরমের ডানদিকে নীচে লেখা নির্দেশাবলী সমূহ খুব ভালোভাবে পড়ে নিতে হবে।
১৩. পরীক্ষায় প্রশ্নপত্রের সেট কোডসমূহ এবং ওএমআর ফরমের সেট কোড ভিন্ন হবে। পরীক্ষার্থীর ওএমআর সেট কোড এর বিপরীতে কোন সেট কোডের প্রশ্ন পাবেন তা পরীক্ষা শুরু হওয়ার পাঁচ মিনিট আগে কক্ষ পরিদর্শক জানিয়ে দিবেন। পরীক্ষার্থী সঠিক কোডের প্রশ্নটি পেলেন কিনা তা নিজে নিশ্চিত হবেন।
১৪. প্রবেশপত্রে নির্ধারিত ওএমআর-এর সেট কোড ব্যতীত অন্য সেট কোডে পরীক্ষা দিলে উত্তরপত্রটি বাতিল বলে গণ্য হবে।
১৫. রোল বা সেট কোড এর বৃত্ত পূরণে কোনো ভুল হলে উত্তরপত্রটি বাতিল বলে গণ্য হবে।
১৬. হাজিরা সীটের সঠিক স্থানে পরীক্ষার্থীকে স্বাক্ষর করতে হবে এবং হাজিরা বৃত্তটি পূরণ করতে হবে। তা না হলে উত্তরপত্রটি বাতিল বলে গণ্য হবে।
১৭. ওএমআর ফরমের উপরিভাগের নির্ধারিত সকল টেক্সটবক্স নির্দেশনা অনুযায়ী পূরণ করতে হবে, অন্যথায় উত্তরপত্রটি বাতিল বলে গণ্য হবে।
১৮. পরীক্ষা কেন্দ্রের ভিতরে আপনার আসন কোন রুমে তার তালিকা টানিয়ে দেয়া হবে। এক পরীক্ষার্থীর জায়গায় অন্য কোন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিলে তার পরীক্ষা বাতিল হবে।
১৯. পরীক্ষা চলাকালীণ সময়ে কারো সাথে যোগাযোগ করা যাবে না, কারো সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে কিংবা কোন অসদুপায় অবলম্বন করা হলে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হবে।
২০. পরীক্ষা আগে, চলাকালীন কিংবা পরে পরীক্ষার্থী কক্ষ পরিদর্শকের সঙ্গে দুর্ব্যাবহার করলে বা কোন অন্যায় আচরণ করলে ও তা প্রমানিত হলে তার পরীক্ষা বাতিল হবে।
২১. পরীক্ষা হলে কক্ষ পরিদর্শকের নির্দেশ মেনে চলতে হবে।
২২. পরীক্ষা শেষে কক্ষ পরিদর্শক লেখা বন্ধ করতে বলার সঙ্গে সঙ্গে লেখা বন্ধ করতে হবে।
২৩. কক্ষ পরিদর্শক কর্তৃক ওএমআর ফরম ও প্রশ্ন পত্র জমা নেয়ার পর উনারা তা গুনে সব ঠিক পাওয়া পর্যন্ত পরীক্ষার্থীদের যার যার আসনে বসে থাকতে বলবেন। তারা যেতে না বলা পর্যন্ত কেউ কক্ষ ত্যাগ করবে না।
OMR শীট, হাজিরা শীট এবং এডমিট কার্ডের নমুনা



OMR শীট, হাজিরা শীট কিভাবে ফিলাপ করতে হবে সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিওটি দেখুন
ইউটিউবে আমাদের সাথে সংযুক্ত হতে আমাদের চ্যানেলটি এখনি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।
]]>মূল সার্টিফিকেটের আবেদন লিংক: http://103.113.200.36/PAMS/ServiceLogin.aspx
আবেদন করতে যে সব কাগজপত্র লাগবে:- যে সকল আবেদনকারী ২০০১ সালের আগে পাশ করেছে তারা রেজিঃ কার্ড, প্রবেশপত্র ও সাময়িক সনদের স্ক্যানকৃত ফাইল (PDF) আবেদনের সাথে সংযুক্ত করতে হবে। আবেদনকারীকে তাঁর ছবি স্ক্যান করে সংযুক্ত করতে হবে। যারা ২০০১ সালের পর পাশ করেছে তাদের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সাময়িক সনদের স্ক্যানকৃত ফাইল (PDF) এবং নিজের এক কপি (স্ক্যান) আবেদনের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।
আবেদনের খরচ কত?: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মূল সনদ উত্তোলনের জন্য ৫০০ টাকা ফি প্রদান করতে হবে।
►►মূল সনদ আবেদনের নির্দেশিকা :-
১। মূল সনদ প্রাপ্তির জন্য যথাযথভাবে আবেদন ফরমটি পূরণ করুন।
২। আবেদনকারীকে রেজিঃ কার্ড, প্রবেশপত্র ও সাময়িক সনদের স্ক্যানকৃত ফাইল (PDF) আবেদনের সাথে সংযুক্ত করতে হবে। আবেদনকারীকে তাঁর ছবি স্ক্যান করে সংযুক্ত করতে হবে।
৩। আবেদনকারীর নিজস্ব মোবাইল নং ও ই-মেইল অ্যাড্রেস সংযুক্ত করতে হবে।
৪। প্রত্যেকটি মূল সনদের জন্য পৃথক পৃথক আবেদন করতে হবে।
৫। আবেদনের ফি প্রে-স্লিপ ডাঊনলোড করে নিকটস্থ সোনালী ব্যাংকের যেকনো শাখায় জমা দেওয়া যাবে। সোনালী ব্যাংকের প্রেমেন্ট গেটওয়ের অন্তভূক্ত বিভিন্ন কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং অথবা সোনালী ব্যাংকের অনলাইন প্রেমেন্ট অপশন ব্যবহার করে ফি জমা করা যায়। তবে যেভাবেই প্রেমেন্ট করুন না কেন আবেদনের সময় সফটওয়্যারে উল্লেখিত ট্রানজেকশন আইডি সংরক্ষণ করুন কারন মূল সনদ সংগ্রহের সময় উহা প্রর্দশন করতে হবে।
৬। আবেদন করার ১৫ দিনের মধ্যে ফি জমা দিতে হবে অনাথায় আবেদনটি বাতিল হয়ে যাবে।
৭। ফি জমা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আবেদনটি সক্রিয় হয়ে যাবে। মূল সনদ প্রস্তুত হওয়ার পর SMS এর মাধ্যমে জানানো হবে। আবেদনকারী চাইলে সফটওয়্যার থেকেও আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা জানতে পারবেন।
৮। মূল সনদ সংগ্রহের সময় সাময়িক সনদের মূল কপি ও টাকা জমা দেওয়ার রশিদ জমা দিতে হবে। মূল সাময়িক সনদ ফেরৎ না দিলে মুল সনদ দেওয়া হবে না।
৯। মূল সনদ সংগ্রহের স্থান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার। নিজের মূল সনদ নিজে সংগ্রহ করুন। একান্ত অপারগ হলে সম্মতিপত্র (Authorization Letter) সহ প্রতিনিধি পাঠিয়ে সংগ্রহ করা যায়।
১০। আপনার আবেদনটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। আপনার সেবাটি যথাযথভাবে প্রদান করতে আমরা আন্তরিকভাবে বদ্ধপরিকর। অহেতুক তদবির না করে সঠিকভাবে নিজের আবেদন নিজে করুন, মিডিয়া বা এজেন্ট পরিহার করুন, আপনার প্রত্যাশার চেয়েও কম সময়ে সেবা পেয়ে যাবেন।
১১। অসম্পূর্ন, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট বিহীন আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে। সনদে উল্লেখিত পাসের সন এবং পরীক্ষার নাম সনদ প্রস্তুত করার জন্য অতেন্ত্য গুরুত্বপুর্ন। সম্পতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে অনেকে পরীক্ষা পাসের সন অথবা পরীক্ষার নাম অনার্স এর স্থলে বিবিএ উল্লেখ করে ভূল তথ্য প্রদান করছেন।
এখনো যারা বুজেন নাই তারা নিচের ভিডিওটি দেখে নিতে পারেন। ভিডিওতে আরো বিস্তারিত তথ্য দেওয়া আছে।
ইউটিউবে আমাদের সাথে সংযুক্ত হতে আমাদের চ্যানেলটি এখনি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।
]]>ফলাফলের পুনঃনিরীক্ষণ একটি পদক্ষেপ যা কোনো পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা এবং পুনরাবলোকনের উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়। HSC Board Challenge 2023 এটি কোনো পরীক্ষার ফলাফল ফলাফলের পুনঃনিরীক্ষণ একটি পদক্ষেপ যা কোনো পরীক্ষার ফলাফল পর্যালোচনা এবং পুনরাবলোকনের উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়। এটি কোনো পরীক্ষার ফলাফল পুনরায় যাচাই করার জন্য একটি পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে একজন ছাত্রের প্রাপ্ত নম্বরগুলো পুনরায় যোগ করে দেখা হয় হিসাবে কোন ভুল আছে কিনা।
ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপ অনুসরণ করতে হবে: ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণ (বোর্ড চ্যালেন্জ) করার জন্য আপনার নিজের অথবা অন্য যে কারো একটি প্রিপেইড সিম কার্ড লাগবে। এবং সেই সিমে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স (টাকা) থাকতে হবে। শুধুমাত্র টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইল ফোন থেকে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে
আবেদন করতে মোবাইলের Message অপশনে গিয়ে RSC বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর রোল নম্বর বিষয় কোড লিখে Send করতে হবে 16222 নম্বরে ।
• উদাহরণ: ঢাকা বোর্ডের কোন পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর 123456 হলে এবং পরীক্ষার্থী আবেদন করতে চাইলে Message অপশনে RSC dha 123456 174 লিখে Send করতে হবে 16222 নম্বরে। (RSC<স্পেস>DHA<স্পেস>123456<স্পেস>174) ফিরতি এসএমএস-এ আবেদন বাবদ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে তা এবং একটি PIN প্রদান করা হবে। এতে সম্মত থাকলে ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে RSC Yes PIN Contact Number (যে কোন মোবাইল অপারেটর) লিখে Send করতে হবে 16222 নম্বরে। (RSC<স্পেস>YES<স্পেস>12345<স্পেস>01913XXXXXX)
উল্লেখ্য পুনঃনিরীক্ষণের ক্ষেত্রে একই এসএমএস-এর মাধ্যমে একাধিক বিষয়ের জন্য আবেদন করা যাবে। সেক্ষেত্রে কমা দিয়ে বিষয়/পত্রের কোডগুলো আলাদা করে লিখতে হবে। যেমন পদার্থ ও রসায়ন দুটি বিষয়ের/পত্রের জন্য আপনার টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইলের ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে RSC < Space > dha Roll Number 174,175,176,177 লিখতে হবে ।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত স্নাতক (সম্মান) শে’ণিতে পাঠদানকারী কলেজসমূহে ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেনীর ভর্তি কার্যক্রমে অনলাইন প্রাথমিক আবেদন ০৫ এপ্রিল বিকাল ৪টা থেকে শুরু হয়ে ০৮ মে ২০২৩ তারিখ রাত ১২টা পর্যন্ত চলবে। আগ্রহী প্রার্থীকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে এবং প্রাথমিক আবেদন ফি বাবদ ২৫০/- (দুইশত পঞ্চাশ) টাকা সংশ্লিষ্ট কলেজে (কলেজ কর্তৃক নির্ধারিত মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে অথবা সরাসরি) ০৯ মে ২০২৩ তারিখের মধ্যে অবশ্যই জমা দিতে হবে। এ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ক্লাস ০১ জুন ২০২৩ তারিখ থেকে শুরু হবে।
১। আবেদনের সাধারণ যোগ্যতা:
ক) বাংলাদেশে স্বীকৃত যে কোন শিক্ষা বোর্ড/উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবিক শাখা থেকে ২০২১/২০২২ সালের HSC/সমমান পরীক্ষা (৪র্থ বিষয়সহ) ও
২০১৯/২০২০ সালের SSC/সমমান পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) পৃথকভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.০ সহ উভয় পরীক্ষা মিলে কমপক্ষে জিপিএ ৬.৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা
আবেদন করতে পারবে।
খ) বাংলাদেশে স্বীকৃত যে কোন শিক্ষা বোর্ড/উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে ২০২১/২০২২ সালের HSC//সমমান পরীক্ষা (৪র্থ
বিষয়সহ) এবং ২০১৯/২০২০ সালের SSC/সমমান পরীক্ষায় (৪র্থ বিষয়সহ) পৃথকভাবে ন্যূনতম জিপিএ ৩.০ সহ উভয় পরীক্ষা মিলে কমপক্ষে জিপিএ ৭.০
প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে।
গ) বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডথেকে শুধুমাত্র i) এইচ.এস.সি. (ভোকেশনাল) ii) এইচ.এস.সি. (বিজনেস্ ম্যানেজমেন্ট) iii) ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স পরীক্ষায়
উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা অনুচ্ছেদ-১ এর খ নং শর্তপূরণ সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবে।
ঘ) আবেদনকারীদের উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার পঠিত বিষয়সমূহ থেকে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শে’ণিতে ভর্তি যোগ্য (Eligible)) বিষয় নির্ধারণ করা হবে
এবং উক্ত পঠিত বিষয়ে (২০০ নম্বরের) ন্যূনতম গ্রেড পয়েন্ট ৩.০ থাকতে হবে।
২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রমে প্রাথমিক আবেদনের সময়সূচি:-
ঢাকা মহানগরীসহ সারাদেশের সকল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে বিদ্যালয় হতে কোনো ভর্তি ফরম বিতরণ করা হবে না। ভর্তির আবেদন শুধুমাত্র অন- লাইনে https://gsa.teletalk.com.bd এই ঠিকানায় পাওয়া যাবে। অন-লাইনে আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়া 16/11/2012 খ্রি. সকাল ১১:০০ টা হতে শুরু হয়ে ০৬/১২/২০২২ খ্রি. বিকাল ০৫:০০ টা পর্যন্ত চলমান থাকবে। ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির আবেদন ফি ১১০/- (একশত দশ) টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে যা শুধুমাত্র টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইল হতে SMS এর মাধ্যমে প্রদান করা যাবে। GSA Admission Online Apply
উল্লেখ্য, ঢাকা মহানগরীর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহ (৩টি ফিডার শাখাসহ) ৩টি ভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত থাকবে। আবেদনের সময় একজন প্রার্থী একই গ্রুপে পছন্দের ক্রমানুসারে সর্বাধিক ৫টি বিদ্যালয় নির্বাচন করতে পারবে। এছাড়াও সারাদেশে আবেদনকারীরা আবেদনের সময় প্রতিষ্ঠান নির্বাচনকালে থানা ভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা পাবেন। এক্ষেত্রে প্রার্থীগণ প্রাপ্যতার ভিত্তিতে প্রতিটি আবেদনে সর্বোচ্চ ৫টি বিদ্যালয় পছন্দের ক্রমানুসারে নির্বাচন করতে পারবে। ডাবল শিফটের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে উভয় শিফট পছন্দ করলে দুটি পছন্দক্রম সম্পন্ন হয়েছে বলে বিবেচিত হবে। একই পছন্দক্রমের বিদ্যালয় কিংবা শিফট দ্বিতীয় বার পছন্দ করা যাবে না। ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে কেন্দ্ৰীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠেয় ডিজিটাল লটারি কার্যক্রমে সারাদেশের সকল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে অংশগ্রহণ করতে হবে। শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়া নিস্পন্ন করা ব্যতিত অন্য কোন পরীক্ষা গ্রহণ করা যাবে না। অন-লাইন লটারি প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থী নির্বাচন করে ২৮/১২/২০২২ তারিখের মধ্যে ভর্তির কাজ সম্পন্ন করতে হবে। এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির জন্য জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ অনুযায়ী ১ম শ্রেণিতে শিক্ষার্থীর বয়স ৬+ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক/শিক্ষিকা/কর্মচারীগণের ভর্তির উপযুক্ত সন্তান সংখ্যার সমসংখ্যক আসন ঐ প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষিত থাকবে। এক্ষেত্রে তাঁদের অন-লাইনে আবেদন করার প্রয়োজন নেই। উল্লেখ্য, শিক্ষক/শিক্ষিকা/কর্মচারী সরকারি মাধ্যমিক বালক বিদ্যালয়ে কর্মরত থাকলে এবং তাঁর ভর্তি উপযুক্ত সন্তান বালিকা হলে পার্শ্ববর্তী সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে আসন সংরক্ষিত রাখতে হবে। একইভাবে শিক্ষক/শিক্ষিকা/কর্মচারী সরকারি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে কর্মরত থাকলে এবং তাঁর ভর্তি উপযুক্ত সন্তান বালক হলে পার্শ্ববর্তী সরকারি বালক বিদ্যালয়ে আসন সংরক্ষিত রাখতে হবে।
অন-লাইনে আবেদন ফরম পূরণ ও ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত নিয়মাবলী:
আবেদন ফরম পূরণ: ভর্তি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুক শিক্ষার্থী https://gsa.teletalk.com.bd এই ওয়েবসাইটে আবেদনপত্র পূরণ ও Teletalk Pre-paid Mobile নম্বর হতে SMS এর মাধ্যমে আবেদন ফি প্রদান করে ভর্তির আবেদনের কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন।
আবেদন দাখিলের সময়সীমা : Online-এ আবেদনপত্র পূরণ ও আবেদন ফি জমাদান শুরুর তারিখ: 16/11/2012 খ্রি. সকাল ১১:০০ টা। Online-এ আবেদনপত্র জমাদানের শেষ তারিখ: ০৬/১২/2022 খ্রি. বিকাল ০৫:০০ টা।
উক্ত সময়সীমার মধ্যে প্রার্থীগণ Online-এ আবেদনপত্র Submit করে User ID পাবেন। প্রাপ্ত User ID ব্যবহার করে Teletalk Pre-paid Mobile নম্বর হতে SMS এর মাধ্যমে আবেদন ফি জমা দিতে পারবেন। আবেদনপত্র জমাদানের শেষ তারিখ অর্থাৎ ০৬/১২/2022 খ্রি. বিকাল ০৫:০০ টার মধ্যে যে সকল শিক্ষার্থী আবেদন করে User ID পেয়েছেন সে সকল শিক্ষার্থীগণ 06/12/2012 দিবাগত রাত ১২:০০ মিনিট পর্যন্ত আবেদন ফি জমা দিতে পারবেন।
Web Application Form পূরণ এর নিয়মাবলী:
১। https://gsa.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে Browse করে আবেদনপত্র পূরণ ও Submit করতে পারবেন।
২। Online-এ আবেদনপত্রের নির্দেশনা মতে প্রার্থী তার সকল তথ্য পূরণ করবেন। যে সকল প্রার্থী বিভিন্ন কোটায় আবেদন করবেন তাদের কোটার বিষয়টি অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। অন্যথায় কোটা বিবেচনা করা সম্ভব হবে না।
৩। Online-এ আবেদনপত্রে প্রার্থী তার রঙিন ছবি (দৈর্ঘ্য ৩০০ × প্রস্থ ৩০০ pixel) স্ক্যান করে JPEG ফরমেটে নির্ধারিত স্থানে Upload করবেন।
৪। Online-এ আবেদনপত্র (Application Form) যথাযথভাবে পূরণ করে নির্দেশনা মতে আবেদনপত্র Submit করা সম্পন্ন হলে কম্পিউটারে ছবিসহ Application Preview দেখা যাবে। নির্ভুলভাবে আবেদনপত্র Submit করা সম্পন্ন হলে প্রার্থী একটি User ID- সহ ছবি Applicant’s copy পাবেন।
৫। প্রার্থী Online-এ পূরণকৃত আবেদনপত্রের একটি প্রিন্ট অথবা Download কপি ভর্তি সংক্রান্ত যে কোন প্রয়োজনে সহায়ক হিসেবে সংরক্ষণ করবেন। ৬। Online-এ আবেদনপত্রে সরবরাহকৃত বাছাইকৃত তথ্যই যেহেতু পরবর্তী সকল কার্যক্রমে ব্যবহৃত হবে, সেহেতু আবেদন প্রেরণ করার পূর্বেই সরবরাহকৃত সকল তথ্যের সঠিকতা সম্পর্কে প্রার্থী নিজে শতভাগ নিশ্চিত হবেন।
SMS এর মাধ্যমে আবেদন ফি প্রদানের নিয়মাবলী:
1। Applicant’s কপিতে প্রাপ্ত User ID নম্বর ব্যবহার করে প্রার্থী নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে যে কোন Teletalk Pre-paid Mobile নম্বর হতে ০২(দুই) টি SMS করে আবেদন ফি বাবদ প্রতিটি Application এর জন্য ১১০/– টাকা জমা দিবেন।
২। প্রথম SMS: GSA<space>User ID (Web Application হতে প্রাপ্ত) লিখে Send করতে হবে 16222 নম্বরে।
উদাহরণ: GSA<space> ABCDEF লিখে Send করতে হবে 16222 নম্বরে।
* ফিরতি SMS এ শিক্ষার্থীর নামসহ একটি PIN নম্বর পাওয়া যাবে। যা ব্যবহার করে দ্বিতীয় SMS-টি করতে হবে।
৩। দ্বিতীয় SMS: GSA<space> YES <space> PIN (প্রথম SMS হতে প্রাপ্ত) লিখে Send করতে হবে 16222 নম্বরে।
উদাহরণ : GSA<space>yes <space> 123456 লিখে Send করতে হবে 16222 নম্বরে।
* এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, Online-এর আবেদনপত্রের সকল অংশ পূরণ করে Submit করা হলেও ভর্তির আবেদন ফি জমা না দেওয়া পর্যন্ত Online-এর আবেদনপত্র কোন অবস্থাতেই গৃহীত হবে না। স্কুল ভর্তি কার্যক্রম সম্পাদন ও এ সংক্রান্ত তথ্য উপাত্ত সংগ্রহের জন্য অন্যের উপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজেই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে একটি টেলিটক প্রি-পেইড সীম সংরক্ষণ করুন। Online আবেদনপত্রে প্রার্থীর প্রদত্ত মোবাইল ফোনে ভর্তি সংক্রান্ত যাবতীয় যোগাযোগ সম্পন্ন করা হবে বিধায় উক্ত নম্বরটি সার্বক্ষণিক সচল রাখা এবং SMS- এর মাধ্যমে প্রাপ্ত নির্দেশনা তাৎক্ষণিকভাবে অনুসরণ করা বাঞ্চনীয়।
User ID এবং PIN পুনরুদ্ধার পদ্ধতি:
কেবল টেলিটক প্রি-পেইড মোবাইল ফোন থেকে প্রার্থীগণ নিম্নবর্ণিত SMS পদ্ধতি অনুসরণ করে নিজ নিজ User ID এবং PIN পুনরুদ্ধার করতে পারবেন।
১। User ID জানা থাকলে GSA<space>Help<space>User-space>User ID & Send to 16222
Example : GSA Help User ABCDEF & Send to 16222
2। PIN Number জানা থাকলে GSA<space>Help<space>PIN<space> PIN No & Send to 16222
Example : GSA Help PIN 1234567 & send to 16222
অথবা ভর্তির ওয়েবসাইট (https://gsa.teletalk.com.bd/) তে গিয়ে জন্ম নিবন্ধন নাম্বার দিয়ে ইউজার আইডি জানতে পারবেন।
ইউটিউবে আমাদের সাথে সংযুক্ত হতে আমাদের চ্যানেলটি এখনি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।
]]>জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (পাস) ভর্তি কার্যক্রমে ১ম মেধা তালিকা ১৪ নভেম্বর ২০২২ তারিখ বিকাল ৪টায় প্রকাশ করা হবে। উক্ত ফলাফল SMS (nu<space>atdg<space>roll no টাইপ করে 16222 নম্বরে send করতে হবে) এর মাধ্যমে একইদিন বিকাল ৪টা থেকে এবং ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটে (www.nu.ac.bd/admissions) রাত ৯টা থেকে পাওয়া যাবে। Degree Admission 1st merit list result notice
উল্লেখ্য যে, ১ম মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত ভর্তিচ্ছু কোন শিক্ষার্থী স্নাতক (পাস)/স্নাতক (সম্মান)/স্নাতক (সম্মান) প্রফেশনাল কোর্সে (যে শিক্ষাবর্ষে হোক না কেন) বর্তমানে অধ্যয়নরত থাকলে তাকে অবশ্যই ২২ নভেম্বর ২০২২ তারিখের মধ্যে পূর্ববর্তী শিক্ষাবর্ষের ভর্তি বাতিল করে অনলাইনে চূড়ান্ত ভর্তি ফরম পূরণ করতে হবে অন্যথায় দ্বৈত ভর্তির কারণে ঐ শিক্ষার্থীর ভর্তি ও রেজিস্ট্রেশন বাতিল বলে গণ্য হবে। ১ম মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত কোন শিক্ষার্থী তার কোর্স পরিবর্তন করতে ইচ্ছুক হলে তাকে অব্যশই চূড়ান্ত ভর্তি ফরমে কোর্সপরিবর্তনের নির্দিষ্ট ঘরে ণবং অপশন সিলেক্ট করতে হবে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর কোর্স পছন্দক্রম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কলেজে কোর্সভিত্তিক শূন্য আসন সাপেক্ষে মেধার ভিত্তিতে কোর্সপরিবর্তন করা হবে। ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (পাস) কোর্সে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ক্লাস ৩০ নভেম্বর ২০২২ তারিখ থেকে শুরু হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়ায় মেধা তালিকায় যারা চান্স না পেয়ে থাকে তারা তাদের পছন্দমত সর্বোচ্চ ৫টি কলেজে রিলিজ স্লিপে আবদেন করার সুযোগ পেয়ে থাকে। রিলিজ স্লিপের বিস্তারিত সকল তথ্য আজকের পোস্টে পাবেন।
রিলিজ স্লিপ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তরসমূহ:
রিলিজ স্লিপ কি? উত্তর:- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করার পর ১ম, ২য়, ৩য় মেরিটে যাদের চান্স না হয় তারা নতুন করে পছন্দমত যে কোন ৫টি কলেজে সিট খালি থাকা সাপেক্ষে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারে। ই প্রক্রিয়াকেই রিলিজ স্লিপ বলে।
কারা কারা রিলিজ স্লিপে আবেদন করতে পারবে? উত্তর:- যারা মেধা তালিকায় স্থান পায়নি, মেধা তালিকায় স্থান পেয়েও ভর্তি হয়নি, মেধা তালিকায় ভর্তি হয়ে পরবর্তীতে ভর্তি বাতিল করেছে, সে সকল আবেদনকারীকে মেধা তালিকায় স্থান পেতে অবশ্যই ১ম রিলিজ স্লিপে আবেদন করতে হবে।
কারা রিলিজ স্লিপ গ্রহন করতে পারবে না? উত্তর:- যারা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য কোন প্রাথমিক আবেদন পূর্বে করে নাই। এবং কলেজ কর্তৃক যে সকল আবেদনকারীর প্রাথমিক আবেদন নিশ্চয়ন করা হয়নি, সে সকল আবেদনকারী রিলিজ স্লিপে আবেদন করতে পারবে না।
রিলিজ স্লিপ পূরন করতে কি কি লাগবে? উত্তর:- আবেদন ফরমের রোল নম্বর এবং পিন নম্বর ব্যবহার করে অনার্স ভর্তির রিলিজ স্লিপ আবেদন করা যাবে। কোন কাগজপত্র কলেজে জমা দিতে হবে না। এবং আবেদনের জন্য নতুন করে কোন ফি দেওয়া লাগবে না।
রিলিজ স্লিপ মাধ্যমে যে সাবজেক্ট পাবো তা কি চেঞ্জ করা করা যাবে? উত্তর:- রিলিজ স্লিপে আপনি যে সাবজেক্ট পাবেন সেটা আর পরিবর্তনের কোন সুযোগ নাই। তাই আবেদন করার সময় অব্যশই বুজে শুনে সাবজেক্ট চয়েজ দিবেন।
কোন কলেজ এ কয়টা করে সিট খালি আছে তা কি করে জানব? উত্তর:- আপনি যখন রিলিজ স্লিপের আবেদন করতে যাবেন তখন কলেজ সিলেক্ট করার পর ঐই কলেজে যে সকল সাবজেক্ট আছে সেইগুলার নাম চলে আসবে এবং ঐই সাবজেক্টের নামের পাশে কতটা সিট ফাকা আছে তা লেখা থাকবে। ঐখান থেকেই আপনারা সহজে জেনে নিতে পারবেন কতটা সিট ফাকা আছে।
রিলিজ স্লিপ দিয়ে কোন কলেজগুলোতে আবেদন করা যাবে? উত্তর:- বাংলাদেশের ভিতরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাভুক্ত যতগুলা কলেজ আছে সেগুলা থেকে যে সকল কলেজে সিট ফাকা থাকবে বা আপনাকে শো করবে সেই সকল কলেজ থেকে যে কোন ৫টা কলেজে আপনি আবেদন করতে পারবেন।
রিলিজ স্লিপ দিয়ে কোন কলেজ গুলোতে আবেদন করলে চান্স পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে? উত্তর:- এটা আসরে নির্ভর করে আপনার পয়েন্টের উপর। আপনার পয়েন্ট যত ভালো হবে তত ভালো কলেজ বা সাবজেক্ট পাবেন। আর পয়েন্ট কম থাকল অবশ্যই নরমার কলেজগুলোতে আবেদন করাই ভালো।
রিলিজ স্লিপ এ সরকারি কলেজ কয়টা এবং বেসরকারি কলেজ কয়টা চয়েজ দেয়া যায়? উত্তর:- এটার কোন নির্দিষ্টতা নেই আপনার যোগ্যতা থাকলে সরকারি বা বেসরকারি যে কোন কলেজেই আবেদন করতে পারবেন। চাইলে আপনি ৫টাই সরকারি বা ৫টাই বেসরকারি কলেজ চয়েজ করতে পারবেন।
রিলিজ স্লিপের মাধ্যমে কি পূর্বের কলেজে পূনরায় আবেদন করতে পারব? উত্তর:- হ্যা আপনি চাইরে প্রথমে যে কলেজে আবেদন করে চান্স পান নাই সেটাতেও রিলিজ স্লিপে আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু সেক্ষেত্রে চান্স পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে। কেননা আপনি যদি যোগ্য হতেন তাহলে প্রথমেই ঐই কলেজে চান্স পেতেন।
রিলিজ স্লিপের ফরম কোথায় কি জমা দিতে হবে? উত্তর:- রিলিজ স্লিপে আবেদন করার পর যে আবেদন কপি পাবেন সেটা কোন কলেজে জমা দিতে হবে না।
একটি কলেজে সর্বোচ্চ কতটি সাবজেক্ট চয়েস দেওয়া যাবে? উত্তর:- আপনার পয়েন্ট অনুযায়ী যতগুলা সাবজেক্ট শো করবে চাইলে আপনি সবগুলো সাবজেক্টেই আবেদন করতে পারবেন।
প্রথম রিলিজ স্লিপে চান্স না পেলে কি করব? উত্তর:- প্রথম রিলিজ সিএলপে চান্স না পেলে ২য় রিলিজ স্লিপের জন্য অপেক্ষা করবেন। ২য় রিলিজ স্লিপের জন্য নতুন করে কোন আবেদন করতে হবে না।
রিলিজ স্লিপ নেওয়ার জন্য কি কোন ফি প্রদান করতে হবে? উত্তর:- রিলিজ স্লিপে আবেদন করার জন্য কোন প্রকার ফি কলেজে জমা দিতে হবে না।
রিলিজ স্লিপে আবেদনের জন্য করণীয়:-
এই পদ্ধতি অনুসরণ করে একজন শিক্ষার্থী ২০২১-২০২২ শিক্ষা বর্ষের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় রিলিজ স্লিপ আবেদন সম্পন্ন করতে পারবেন।
ইউটিউবে আমাদের সাথে সংযুক্ত হতে আমাদের চ্যানেলটি এখনি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।
]]>একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট আবেদনের জন্য যা প্রয়োজন:
অনলাইনে আবেদনের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত ওয়েবসাইট (http://services.nu.edu.bd/nu-app/) লিংকে যেতে হবে।
তারপর প্রয়োজনীয় সকল তথ্য দিয়ে Student Registration সম্পন্ন করতে হবে। Student Service এ লগ-ইন করার পর Examination Services থেকে Transcript এ ক্লিক করে আবেদন শুরু করতে হবে। আবেদন শেষে Payslip ডাউনলোড করে যে কোন সোনালী ব্যাংকের শাখাতে নির্ধারিত ফি ৭০০ টাকা জমা দিতে হবে। তারপর যে সময় আপনার ট্রান্সক্রিপ্ট রেডি হবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওযার স্টপ সার্ভিস পয়েন্ট থেকে গিয়ে আপনার ট্রান্সক্রিপটি নিয়ে আসতে পারবেন।
ইউটিউবে আমাদের সাথে সংযুক্ত হতে আমাদের চ্যানেলটি এখনি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন।
]]>একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদনের পূর্ব শর্ত হচ্ছে প্রাথমিক ভর্তি ফি জমা দেওয়া। অনলাইনে আবেদন করতে হলে প্রথমেই আপনাকে মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ, রকেট, নগদ, উপায়, টেলিটক, সোনালী সেবা) যে কোন একটি মাধ্যমে পেমেন্ট সম্পন্ন করতে হবে। তারপর অনলাইনে (http://xiclassadmission.gov.bd) এই লিংকে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ফরম পূরণ করতে হবে।
যে সকল মাধ্যমে ফি পরিশোধ করা যাবে:
নগদে পেমেন্টের সিস্টেম:
১। নগদ এপ থেকে বিল-পে সিলেক্ট করতে হবে। ২। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সিলেক্ট করে XI Class Admission সিলেক্ট করতে হবে। ৩। রোল নাম্বার, বোর্ডের নাম, পাশের বছর এবং মোবাইল নাম্বার দিন। ৪। ফি-এর পরিমাণ চেক করে পরের স্ক্রিনে যেতে ট্যাপ করুন। ৫। আপনার নগদ একাউন্টের পিন নাম্বার দিন। ৬। “পে-বিল” সম্পন্ন করতে স্ক্রিনের নিচের অংশ ট্যাপ করে ধরে রাখুন। ৭। “পে-বিল” সম্পন্ন হলে কনফারমেশন পাবেন। ৮। অ্যাপ থেকে দেখে নিতে পারেন আপনার বিলের ডিজিটাল রিসিট।
বিকাশে পেমেন্টের সিস্টেম:
১। বিকাশ এপ থেকে পে-বিল সিলেক্ট করতে হবে। ২। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সিলেক্ট করে XI Class Admission সিলেক্ট করতে হবে। ৩। বোর্ডের নাম, পাশের বছর সিলেক্ট করে রোল নাম্বার এবং মোবাইল নাম্বার দিন। ৪। ফি-এর পরিমাণ চেক করে পরের স্ক্রিনে যেতে ট্যাপ করুন। ৫। আপনার বিকাশ একাউন্টের পিন নাম্বার দিন। ৬। “পে-বিল” সম্পন্ন করতে স্ক্রিনের নিচের অংশ ট্যাপ করে ধরে রাখুন। ৭। “পে-বিল” সম্পন্ন হলে কনফারমেশন পাবেন। ৮। অ্যাপ থেকে দেখে নিতে পারেন আপনার বিলের ডিজিটাল রিসিট।
রকেটে পেমেন্টের সিস্টেম:
১। রকেট এপ থেকে বিল-পে সিলেক্ট করতে হবে। ২। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সিলেক্ট করে XI Class Admission সিলেক্ট করতে হবে। ৩। রোল নাম্বার, বোর্ডের নাম, পাশের বছর এবং মোবাইল নাম্বার দিন। ৪। ফি-এর পরিমাণ চেক করে পরের স্ক্রিনে যেতে ট্যাপ করুন। ৫। আপনার রকেট একাউন্টের পিন নাম্বার দিন। ৬। “পে-বিল” সম্পন্ন করতে স্ক্রিনের নিচের অংশ ট্যাপ করে ধরে রাখুন। ৭। “পে-বিল” সম্পন্ন হলে কনফারমেশন পাবেন। ৮। অ্যাপ থেকে দেখে নিতে পারেন আপনার বিলের ডিজিটাল রিসিট।
টেলিটকের মাধ্যমে পেমেন্টের সিস্টেম: টেলিটকের প্রিপেইড মোবাইল ব্যবহার করতে হবে।
ধাপ: ০১
মোবাইলের Message (Option)-এ গিয়ে নিম্নলিখিত নিয়মে আবেদন ফি প্রদান করতে হবে।
CAD WEB Board Roll Year লিখে ১৬২২২ নম্বরে Send করতে হবে।
(উপরের Message-এ Board এর স্থলে শিক্ষার্থীর নিজের বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর/কোড (যেমন, ঢাকা বোর্ড হলে DHA; বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদালয় হলে BOU, ইত্যাদি), Roll এর স্থলে শিক্ষার্থীর এসএসসি/সমমান পরীক্ষার Roll No, Year এর স্থলে এসএসসি/সমমান পরীক্ষার Passing Year দিতে হবে)
ধাপ: ০২
উপরে বর্ণিত SMS টি সফলভাবে সম্পন্ন হলে আবেদনকারীর নাম, শিক্ষা বোর্ড, পাসের সন এবং রোল নম্বরসহ ফিরতি SMS-এ আবেদন ফি বাবদ ১৫০/- (একশত পঞ্চাশ টাকা) কেটে নেওয়া হবে এবং তা জানিয়ে একটি PIN কোড প্রদান করা হবে। ফি প্রদানে সম্মত থাকলে Message অপশন (Option) এ যেয়ে CAD YES PIN Contact Number লিখে ১৬২২২ নম্বরে Send করতে হবে।
Contact Number টি অবশ্যই বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধনকৃত মোবাইল নম্বর হতে হবে। একটি মোবাইল নম্বর শুধুমাত্র একজন আবেদনকারী প্রার্থীর জন্য ব্যবহার করা যাবে। ফি সঠিকভাবে জমা হলে Contact Number টিতে অবশ্যই ফি নিশ্চিতকরণের একটি Transaction ID সহ SMS যাবে।
উদাহরণঃ ফি নিশ্চিতকরণ CAD YES 1268234 ০১********
(এখানে 1268234 হল PIN এবং ০১******** হল পুর্বে প্রদত্ত ১১ ডিজিটের Contact number)
2021-22 শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির কার্যক্রম অনলাইন আবেদন আগামী ৯ আগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে। ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে। ভর্তি প্রক্রিয়ায় জটিলতা ও ব্যয় কমাতে এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া বাতিল করা হয়েছে। শুধু অনলাইনে সর্বোচ্চ ১০টি ও সর্বনিন্ম ৫টি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। আবেদন ফি ১৫০ টাকা। ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক হারুন অর রশীদ ইত্তেফাককে এ তথ্য জানিয়েছেন।
অনলাইনে আবেদন করতে হলে প্রথমেই আপনাকে মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ, রকেট, নগদ, উপায়, টেলিটক, সোনালী সেবা) যে কোন একটি মাধ্যমে পেমেন্ট সম্পন্ন করতে হবে। তারপর অনলাইনে (http://xiclassadmission.gov.bd) এই লিংকে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে ফরম পূরণ করতে হবে।
আবেদন, ফল প্রকাশ, ভর্তি ও ক্লাস শুরুর সময়সূচিঃ
২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির জন্য নিম্নোক্ত সময়সূচি অনুসরণ করতে হবে:-
ভর্তির অন-লাইনে আবেদন গ্রহণ :- ০৮/০১/২০২২ থেকে ১৫/০১/২০২২
১ম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ ২৯/০১/২০২২ (রাত ৮-০০ )
শিক্ষার্থীর Selection নিশ্চায়ন (শিক্ষার্থী নিশ্চায়ন না করলে ১ম পর্যায়ের Selection এবং আবেদন বাতিল হবে) ৩০/০১/২০২২ থেকে ০৬/০২/২০২২
২য় পর্যায়ের আবেদন গ্রহন ০৭/০২/২০২২ থেকে ০৮/০২/২০২২ (রাত ৮-০০ পর্যন্ত)
পছন্দক্রম অনুযায়ী ১ম মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ ১০/০২/২০২২ (রাত ৮-০০ টায়)
২য় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ ১০/০২/২০২২ (রাত ৮-০০ টার পর)
২য় পর্যায়ের শিক্ষার্থীর Selection নিশ্চায়ন (শিক্ষার্থী নিশ্চায়ন না করলে ২য় পর্যায়ের Selection এবং আবেদন বাতিল হবে) ১১/০২/২০২২ থেকে ১২/০২/২০২২ (রাত ৮টা পর্যন্ত)
৩য় পর্যায়ের আবেদন গ্রহন:- ১৩/০২/২০২২
পছন্দক্রম অনুযায়ী ২য় মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ ১৫/০২/২০২২ (রাত ৮-০০ টার পর)
৩য় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ ১৫/০২/২০২২ (রাত ৮-০০ টার পর)
৩য় পর্যায়ের শিক্ষার্থীর Selection নিশ্চায়ন ( শিক্ষার্থী নিশ্চায়ন না করলে ৩য় পর্যায়ের Selection এবং আবেদন বাতিল হবে) ১৬/০২/২০২২ থেকে ১৭/০২/২০২২ (রাত ৮টা পর্যন্ত)
ভর্তি ১৫/০২/২০২২ থেকে ২৪/০২/২০২২
ক্লাশ শুরু:- ০২/০৩/২০২২